ভোটের মরসুমে লম্বা হবে গরমের ছুটি? রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তরের নতুন পরিকল্পনা নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা!

দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে সূর্যদেবের দাপট শুরু হয়ে গিয়েছে। এপ্রিলের মাঝামাঝিই রাজ্যের তাপমাত্রা বেশ কিছু জেলায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছুঁয়েছে। এরই মধ্যে রাজ্যে শুরু হতে চলেছে নির্বাচন। একদিকে প্রখর দাবদাহ আর অন্যদিকে ভোটের উত্তাপ—সব মিলিয়ে এবারও কি সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলগুলোতে গরমের ছুটি এগিয়ে আসবে বা বাড়তে পারে? এই নিয়ে এখন জোর জল্পনা রাজ্যজুড়ে।

মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রকাশিত ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, খাতায়-কলমে গরমের ছুটি থাকার কথা মাত্র ৬ দিন (১১ মে থেকে ১৬ মে)। কিন্তু বাস্তবের চিত্রটি ভিন্ন হতে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

কেন বাড়তে পারে ছুটি?

মূলত দুটি কারণে ছুটির মেয়াদ বা সময়সূচিতে বদল আসতে পারে:

  • তীব্র দাবদাহ: গত কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, মে মাসের নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই তাপপ্রবাহের কারণে রাজ্য সরকার গরমের ছুটি ঘোষণা করে দিচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিলেই তাপমাত্রা যে হারে বাড়ছে, তাতে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে সরকার।

  • ভোটের আবহাওয়া: এ বছর রাজ্যে নির্বাচনের কারণে বহু স্কুলকে কেন্দ্রীয় বাহিনী বা ভোট কর্মীদের অস্থায়ী শিবির হিসেবে ব্যবহার করা হবে। ফলে পঠনপাঠন চালানো কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ভোটের দিনগুলোর সাথে মিলিয়ে গ্রীষ্মাবকাশ সমন্বয় করা হতে পারে।

অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্বেগ

পর্ষদের নির্ধারিত ৬ দিনের ছুটি নিয়ে ইতিমধ্যেই শিক্ষক মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, বাংলার এই প্রচণ্ড গরমে মাত্র এক সপ্তাহের ছুটিতে পড়ুয়াদের অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। অন্যদিকে, ভোটের কাজে স্কুল ব্যবহার হলে সেই সময়টুকু ছুটির আওতায় রাখা জরুরি।

বিশেষ সূত্র: যদিও শিক্ষা দপ্তর থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি, তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে এপ্রিলের শেষের দিকে বা মে মাসের শুরুতে বড় কোনো ঘোষণা আসতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy