ডকুমেন্ট আপলোডে একের পর এক গাফিলতির অভিযোগ আসায় এবার কোমর বেঁধে নেমেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। আগামী ২৮ তারিখ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তার আগেই জেলাশাসকদের (District Election Officer) পাঠানো তালিকার ওপর কয়েক স্তরের ‘সুপার চেকিং’ ও বিস্তারিত স্ক্রুটিনি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, জেলাশাসকরা তাঁদের বিধানসভাভিত্তিক তালিকা পাঠানোর পর তা সরাসরি গ্রহণ করা হবে না। স্ক্রুটিনি চলাকালীন কোনও রকম অসঙ্গতি বা ত্রুটি ধরা পড়লে ওই ফাইল সরাসরি সংশ্লিষ্ট জেলার ডিইও-দের কাছে সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠানো হবে। নির্ভুল তালিকা হাতে পাওয়ার পরই তা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। মূলত কতিপয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে কমিশনের কড়া পদক্ষেপ এবং বারবার অভিযোগের জেরেই এবার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না নবান্ন ও কমিশন।