ভুয়া ডিগ্রি নিয়ে ৫ বছর হাইকোর্টের বিচারপতি! পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থায় নজিরবিহীন কেলেঙ্কারি!

প্রশাসনিক চরম গাফিলতি আর দুর্নীতির এক নক্ক্যারজনক উদাহরণ হয়ে থাকল পাকিস্তান। সম্প্রতি সামনে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য— এক ব্যক্তি দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে পাকিস্তানের একটি উচ্চ আদালতের বিচারপতির আসন অলংকৃত করেছেন, যাঁর যোগ্যতাই ছিল ভুয়া। বিষয়টি জানাজানি হতেই আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

তদন্তে প্রকাশ, ওই ব্যক্তি জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ভুয়া নথিপত্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সার্টিফিকেট দেখিয়ে উচ্চপদে আসীন হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, পাঁচ বছর ধরে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় দিয়েছেন। একজন অযোগ্য ব্যক্তি কীভাবে দেশের সংবেদনশীল বিচারব্যবস্থার শীর্ষে পৌঁছালেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে গোয়েন্দা বা প্রশাসনিক নজরদারি এড়াতে পারলেন, তা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেও ততক্ষণে দেশের ভাবমূর্তি বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আন্তর্জাতিক নেটিজেনরা পাকিস্তানকে বিদ্রূপ করতে ছাড়ছেন না। অনেকেই বলছেন, যেখানে বিচারপতির পরিচয়ই ভুয়া, সেখানে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবে কীভাবে? এই জালিয়াতির নেপথ্যে বড় কোনো সিন্ডিকেট কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহত্তম প্রশাসনিক কেলেঙ্কারি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy