“বিজেপির প্রার্থী মদ্যপ ও চরিত্রহীন!”— জলপাইগুড়িতে দাঁড়িয়ে সরাসরি ব্যক্তি আক্রমণ অভিষেকের! শোরগোল তুঙ্গে!

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজার পর থেকেই উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন আক্রমণ শানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেবল রাজনৈতিক সমালোচনা নয়, বিজেপি প্রার্থীর ব্যক্তিগত জীবন ও ‘চরিত্র’ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে হইচই ফেলে দিয়েছেন তিনি।

বিজেপি প্রার্থীকে নিয়ে আক্রমণ: জনসভার মঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি প্রার্থীকে লক্ষ্য করে আক্রমণ শানান। তাঁর দাবি, বিজেপি এমন একজন ব্যক্তিকে প্রার্থী করেছে যাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। অভিষেক সরাসরি অভিযোগ তোলেন:

“বিজেপি যাঁকে প্রার্থী করেছে, তিনি মদ্যপ এবং চরিত্রহীন। এমন মানুষকে ভোট দেওয়া মানে এলাকার সম্মান বিসর্জন দেওয়া। বিজেপি কি ভালো কোনো মানুষ খুঁজে পায়নি?”

অভিষেকের এই ব্যক্তিগত আক্রমণ নিয়ে ইতিমধ্যেই পাল্টা সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, হার নিশ্চিত জেনে এখন নিচু স্তরের রাজনীতিতে নেমেছে তৃণমূল।

চা-শ্রমিকদের জন্য বড় প্রতিশ্রুতি: উত্তরবঙ্গের রাজনীতির অন্যতম চাবিকাঠি হলো চা-শ্রমিকদের ভোট। এদিন তাঁদের মন জয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বড় প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি আশ্বাস দেন যে, তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি আরও বৃদ্ধি করা হবে এবং তাঁদের আবাসন ও পানীয় জলের সমস্যার সমাধান অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করা হবে। তাঁর দাবি, একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারই চা-বলয়ের মানুষের প্রকৃত উন্নয়ন করতে সক্ষম।

উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ফোকাস: বিগত কয়েকটি নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ফল প্রত্যাশামতো হয়নি। সেই ঘাটতি পূরণ করতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এখন থেকেই জন সংযোগে জোর দিচ্ছেন। তিনি সাফ জানান, দিল্লির নেতারা এসে কেবল লম্বা লম্বা কথা বলে যাবেন, কিন্তু বিপদের দিনে পাশে থাকবে জোড়াফুল শিবিরই।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy