রাজ্যে ভোট ঘোষণার পর থেকেই পুলিশ ও প্রশাসনিক স্তরে একাধিক রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন। এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলার শুনানি শুক্রবার শেষ হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর রায়দান স্থগিত রেখেছে।
শুনানিতে কমিশনের আইনজীবী পরিসংখ্যান তুলে ধরে দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় উত্তরপ্রদেশ (৮৩), মহারাষ্ট্র (৬১) বা বিহারে (৪৮) অনেক বেশি আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। বাংলায় এই সংখ্যা মাত্র ২৩। অন্যদিকে, মামলাকারীর আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, কেন শুধুমাত্র রাজ্যের আধিকারিকদের লক্ষ্য করা হচ্ছে? সিআইএসএফ বা বিএসএফ-এর মতো কেন্দ্রীয় সংস্থার শীর্ষকর্তাদের কেন বদলি করা হল না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত যুক্তি দেন যে, ডিডিপি বা আইজিপি পদের আধিকারিকরা সংবিধান অনুযায়ী কমিশনের একতরফা বদলির এক্তিয়ারভুক্ত কি না। আদালত কমিশনকে আগামী সোমবারের মধ্যে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।