মহারাষ্ট্রের বারামতী উপনির্বাচনের ঠিক দুই সপ্তাহ আগে বদলে গেল রাজনীতির সমীকরণ। প্রয়াত অজিত পাওয়ারের প্রতি ‘শ্রদ্ধাঞ্জলি’ হিসেবে নিজেদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিল কংগ্রেস। এর ফলে অজিত-পত্নী সুনেত্রা পাওয়ারের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথ কার্যত পরিষ্কার হয়ে গেল। ২৩শে এপ্রিল এই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের কথা ছিল।
কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তকে নেহাত ‘পিছুহটা’ বলতে নারাজ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। হর্ষবর্ধন সাপকালের এই চালের নেপথ্যে রয়েছে সুদূরপ্রসারী কৌশল। প্রাথমিকভাবে প্রার্থী দিয়ে কংগ্রেস বার্তা দিয়েছিল যে তারা এনসিপি-বিজেপি জোটের আদর্শগত বিরোধী। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রোহিত পাওয়ার ও সুপ্রিয়া সুলের নৈতিক চাপ এবং খোদ মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের ফোন কলে পরিস্থিতি বদলে যায়। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রাখতেই এই ‘সম্মানজনক প্রস্থান’ বেছে নিয়েছে হাত শিবির।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কংগ্রেস বিপুল ‘নৈতিক পুঁজি’ সংগ্রহ করল। ২০২৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে সহানুভূতি আদায়ের এই কৌশলী চাল দেওয়া হয়েছে। একদিকে এনসিপি-র ঘরোয়া বিবাদকে কাজে লাগানো, অন্যদিকে নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা— সব মিলিয়ে বারামতীর এই রাজনৈতিক নাটক এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে।





