বাংলার মসনদ দখল করতে মরিয়া বিজেপি এবার অসাধু উপায়ের আশ্রয় নিচ্ছে—ঠিক এই ভাষাতেই পদ্মশিবিরকে আক্রমণ শানালেন যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক বৈঠকে সায়নী সরাসরি অভিযোগ তোলেন যে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তৃণমূলকে হারাতে না পেরে এখন ইভিএম (EVM) হ্যাক করার নীল নকশা তৈরি করছে ভারতীয় জনতা পার্টি।
সায়নী ঘোষ এদিন অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে বলেন, “বিজেপি জানে যে বাংলার মানুষের আশীর্বাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছে। তাই ব্যালট বক্সে বা সাধারণ মানুষের রায়ে তারা জিততে পারবে না। সেই কারণেই এখন পর্দার আড়ালে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ইভিএম হ্যাক করার চেষ্টা চলছে।” তিনি আরও দাবি করেন যে, নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানে ইভিএম মেশিন নিয়ে কারচুপি করার জন্য বিশেষ দল নামিয়েছে বিজেপি।
সাংসদ সায়নীর এই মন্তব্য ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তিনি সাফ জানান, তৃণমূল কর্মীরা প্রতিটি বুথে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন যাতে জনমত চুরি না হয়। তাঁর কথায়, “বিজেপি যতই হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করুক, বাংলার জাগ্রত জনতা তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে।”
পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘হারের আগাম অজুহাত’ বলে কটাক্ষ করেছে। তবে সায়নী ঘোষের এই বিস্ফোরক দাবি নির্বাচনের আগে রাজ্যে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিল, যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে চায়ের দোকান—সর্বত্রই এখন চর্চা তুঙ্গে।