রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় বাধা দূর হলো। স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)-এর যে ২৪ জন আধিকারিককে লোকসভা নির্বাচনের কাজে নিয়োগ করা হয়েছিল, তাঁদের অব্যাহতি দিল নির্বাচন কমিশন। এর ফলে সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে অর্থাৎ ২০২৬ সালের ৩১ অগস্টের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আর কোনও প্রশাসনিক জটিলতা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্বাচন কমিশনের এই ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করে মামলাটির নিষ্পত্তি করেন।
গত ১ মার্চ এসএসসি-র ৩৫ জন কর্মীর মধ্যে ২৪ জনকে পোলিং অফিসারের কাজে নিয়োগের চিঠি দেওয়া হয়। এর ফলে মাত্র ১১ জন কর্মী নিয়ে ইন্টারভিউ ও নিয়োগের বিশাল কর্মযজ্ঞ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানান, এসএসসি একটি স্বশাসিত সংস্থা এবং বর্তমানে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ২৫ হাজার ৭৫৩ জন বাতিল হওয়া পদের বিপরীতে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। আধিকারিকরা না ফিরলে শীর্ষ আদালতের দেওয়া ডেডলাইন মিস হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলে সুপ্রিম কোর্ট নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিপুল সংখ্যক চাকরি বাতিলের রায় দেয়। প্রথমে ২০২৫-এর ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়োগ শেষের কথা থাকলেও পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৬-এর ৩১ অগস্ট করা হয়। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন পুরোদমে ইন্টারভিউ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে স্কুল সার্ভিস কমিশন।





