২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের মুখে রাজ্যে চরম উত্তেজনা। এবার খোদ নির্বাচন কমিশনের প্রশিক্ষণ শিবিরের ভেতরে আক্রান্ত হলেন এক ভোটকর্মী। অভিযোগ, প্রশিক্ষণের মাঝপথে সরকারি পর্দায় মুখ্যমন্ত্রীর বিজ্ঞাপনী ভিডিও দেখানোর প্রতিবাদ করায় এক ভোটকর্মীকে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। প্রশ্ন উঠছে, কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থাকা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কীভাবে বহিরাগতরা ঢুকে এই তাণ্ডব চালাল?
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে একটি জেলাভিত্তিক নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। প্রত্যক্ষদর্শী অন্যান্য ভোটকর্মীদের দাবি, নিরপেক্ষতার স্বার্থে সরকারি বিজ্ঞাপনের বিরোধিতা করেছিলেন ওই কর্মী। তখনই একদল যুবক অতর্কিতে হানা দিয়ে তাঁকে মারধর শুরু করে। আক্রান্ত কর্মীকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার খবর পৌঁছাতেই দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে শোরগোল পড়ে যায়। কমিশন তড়িঘড়ি জেলাশাসকের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট (ATR) তলব করেছে।
এই নজিরবিহীন হামলায় ক্ষোভে ফুঁসছেন রাজ্যের কয়েক হাজার ভোটকর্মী। তাঁদের প্রশ্ন, “প্রতিবাদ জানানোই কি তবে অপরাধ?” সরকারি কর্মীদের সংগঠনগুলো ইতিমধ্যেই নিরাপত্তার দাবিতে সরব হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দোষীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ওপর এই হামলা গণতন্ত্রের ওপর বড় আঘাত হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।