“প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ কটাক্ষ! ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে খাড়্গেকে কড়া নোটিস কমিশনের”

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে জাতীয় রাজনীতিতে আক্ষরিক অর্থেই আগুন লেগে গেল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে “সন্ত্রাসবাদী” বলে আক্রমণ করে এবার বড়সড় আইনি ও প্রশাসনিক বিপাকে পড়লেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। তাঁর এই বেলাগাম মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন।

ঠিক কী ঘটেছিল? নির্বাচনী প্রচারের ময়দান থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে গিয়ে মেজাজ হারান বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা খাড়্গে। তিনি মোদিকে সরাসরি “সন্ত্রাসবাদী” বলে অভিহিত করেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। বিজেপি নেতৃত্ব কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে দাবি করে, খাড়্গের এই মন্তব্য আদর্শ নির্বাচন আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন।

নির্বাচন কমিশনের অ্যাকশন: অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর নির্বাচন কমিশন কংগ্রেস সভাপতিকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠিয়েছে। কমিশনের নির্দেশিকায় যা বলা হয়েছে:

  • ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা: খাড়্গেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে হবে। কেন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা স্পষ্ট করতে হবে।

  • আচরণবিধি লঙ্ঘন: কমিশন জানিয়েছে, দেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো একটি সাংবিধানিক পদ সম্পর্কে এই ধরণের শব্দ প্রয়োগ রাজনৈতিক শিষ্টাচারের বাইরে।

  • কড়া ব্যবস্থা: উত্তর সন্তোষজনক না হলে তাঁর নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করার মতো কঠোর পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।

বিজেপির প্রতিক্রিয়া: গেরুয়া শিবিরের দাবি, হারের ভয়ে কংগ্রেস এখন হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। তাঁদের মতে, দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এমন ভাষায় আক্রমণ করার অর্থ হলো দেশের গণতন্ত্র ও সাধারণ মানুষকে অপমান করা।

অস্বস্তিতে হাত শিবির: ভোটের মুখে যখন বিজেপি বিরোধী জোটকে এককাট্টা করার চেষ্টা চলছে, তখন খাড়্গের এই বিতর্কিত মন্তব্য কংগ্রেসকে খানিকটা ব্যাকফুটে ঠেলে দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। এখন দেখার, ২৪ ঘণ্টার এই ডেডলাইনে খাড়্গে কী জবাব দেন।

এক নজরে: রাজনীতির ময়দানে কুরুচিকর শব্দ প্রয়োগের জের, খাড়্গের ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা এখন জাতীয় রাজনীতির হট টপিক।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy