২০২৬-এর মহাযুদ্ধে প্রথম দফাতেই রেকর্ড গড়েছে বাংলা। ৯০০ শতাংশের বেশি ভোটদানের হার দেখে যখন রাজনৈতিক মহলে চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই দ্বিতীয় দফার রণদামামা বাজিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মেদিনীপুর থেকে মুর্শিদাবাদ—সর্বত্রই এখন একটাই প্রশ্ন, এই বিপুল জনজোয়ার কার দিকে?
এদিন এক হাই-ভোল্টেজ সাংবাদিক বৈঠকে শাহ আত্মবিশ্বাসের সুরে দাবি করেন, বাংলার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়ে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, “অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গে এবার বিজেপির জয়জয়কার হবে। মানুষ স্থির করে নিয়েছেন যে অপশাসন আর সহ্য করা হবে না।” তৃণমূল নেত্রীকে সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন, “দিদি জানেবালি হ্যায়, বিজেপি আনেবালি হ্যায়।” অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় ঘণ্টা বেজে গিয়েছে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসা শুধু সময়ের অপেক্ষা।
শাহের নিশানায় ছিল তৃণমূলের অন্দরমহলও। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে তিনি কড়া ভাষায় বলেন, “ভয় জানেবালা হ্যায়, ভরসা আনেবালা হ্যায়।” অর্থাৎ বাংলায় যে ভয়ের রাজনীতি কায়েম করা হয়েছিল, তার দিন শেষ। মানুষ এখন বিজেপির ওপর ভরসা রাখছেন। প্রথম দফার ভোট শতাংশ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে নিচুতলার মানুষ নীরবে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শাহের এই বক্তব্য নিশ্চিতভাবেই গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে। অন্যদিকে, শাসক দল এই রেকর্ড ভোটকে তাদের উন্নয়ন প্রকল্পের সাফল্য হিসেবেই দাবি করছে। এখন দেখার, এই হাই-ভোল্টেজ লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়।





