বোর্ড পরীক্ষা চলছিল আর পাঁচটা দিনের মতোই। শান্ত পরিবেশ, কড়া নজরদারি—কিন্তু তার মাঝেই ঘটে গেল এক অবিশ্বাস্য ও অভাবনীয় ঘটনা। পরীক্ষার হলে বসেই তীব্র পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করতে শুরু করে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। যন্ত্রণার চোটে সে শৌচালয়ে যাওয়ার অনুমতি চায়। কিন্তু টয়লেটে যেতেই সেখানে একটি ফুটফুটে সন্তান প্রসব করে ওই নাবালিকা পরীক্ষার্থী। এই ঘটনা জানাজানি হতেই স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাটি ঘটেছে আজ সকালে একটি সরকারি স্কুলে বোর্ড পরীক্ষা চলাকালীন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই কিশোরী অসুস্থ বোধ করতে থাকে। প্রথমে বিষয়টিকে সাধারণ পেটের সমস্যা বা পরীক্ষার মানসিক চাপ ভেবে গুরুত্ব দেওয়া না হলেও, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হয়। এরপর শৌচালয়ে যেতেই সেখানে শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পান স্কুলের কর্মীরা। তাঁরা দ্রুত গিয়ে দেখেন ওই ছাত্রী প্রসব করেছে।
খবর পাওয়ামাত্রই স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশ ও স্বাস্থ্য দপ্তরে যোগাযোগ করে। তড়িঘড়ি স্কুলে পৌঁছয় পুলিশ এবং একটি অ্যাম্বুলেন্স। মা ও নবজাতক উভয়কেই দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, বর্তমানে মা ও শিশু দুজনেই স্থিতিশীল। তবে একজন দশম শ্রেণির নাবালিকা ছাত্রী কীভাবে গর্ভবতী হলো এবং পরিবারের লোকজন বা স্কুল কর্তৃপক্ষ কেন তা আগে টের পেলেন না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং নাবালিকার বয়ান নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই ঘটনাটি বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।