আসন্ন পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) তাদের কার্যপদ্ধতিতে এক বড়সড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল যে, নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে ইডি-র নয়া নির্দেশিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এবার থেকে কাউকে তলব বা নোটিস পাঠানোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে আধিকারিকদের।
ইডি সূত্রের খবর, এখন থেকে প্রতিটি মামলা বা কেস নিষ্পত্তির জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা (Timeframe) বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে পুরনো মামলাগুলো দ্রুত শেষ করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ২০২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকের মধ্যেই বহু পুরনো ‘ফেমা’ (FEMA) ও ‘পিএমএলএ’ (PMLA) সংক্রান্ত অভিযোগ মিটিয়ে ফেলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আধিকারিকদের স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ ছাড়া কাউকে সমন পাঠানো যাবে না এবং তদন্তপ্রক্রিয়া অযথা ঝুলিয়ে রাখা চলবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে বিরোধী শিবিরের ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি’র অভিযোগ ভোঁতা করতেই ইডি-র এই কৌশল। তদন্তপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে এবং জনমানসে এজেন্সির নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই গাইডলাইন আনা হয়েছে। তবে এই নতুন নিয়ম তদন্তের গতি বাড়াবে না কি আইনি বেড়াজালে সময় নষ্ট করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।