নাসিকের টিসিএস (TCS) ক্যাম্পাসে সংগঠিত ধর্মান্তর চক্রের পর্দাফাঁস হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। এবার এই ইস্যুটি পৌঁছে গেল দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে। একটি নতুন পিটিশন দাখিল করে দাবি করা হয়েছে, জোরপূর্বক বা প্রতারণামূলক এই ধর্মান্তর কেবল কোনো ধর্মীয় বিষয় নয়, বরং এটি ভারতের ‘জাতীয় নিরাপত্তার’ জন্য এক বড়সড় হুমকি।
আবেদনকারী আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেছেন যে, নাসিকের এই ঘটনা সমগ্র জাতির বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। আবেদনে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনা হয়েছে:
সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ: যখন ধর্মান্তর কোনো বৃহৎ ও সুপরিকল্পিত অভিযানের অংশ হয়, তখন তাকে ‘সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ’ হিসেবে গণ্য করা উচিত।
বিদেশি ষড়যন্ত্র: এই ধরনের চক্রের নেপথ্যে প্রায়শই বিদেশি শক্তির অর্থায়ন থাকে, যার মূল লক্ষ্য ভারতের ধর্মীয় জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট করা এবং দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতাকে বিঘ্নিত করা।
আইনি শর্ত: ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার থাকলেও তা জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার ঊর্ধ্বে নয়। প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ করে ধর্ম পরিবর্তন সংবিধান বিরোধী।
এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে দুটি প্রধান দাবি জানানো হয়েছে। প্রথমত, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলোকে ধর্মান্তর রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া। দ্বিতীয়ত, এই ধরনের স্পর্শকাতর মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পৃথক ‘বিশেষ আদালত’ গঠন করা। সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই এই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।





