রঙের উৎসব দোল পূর্ণিমার আগেই দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার ভোলবদল। ভোরের হালকা শিরশিরানি উধাও হয়ে এখন কার্যত ঘাম ঝরানো গরমের দাপট শুরু হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মার্চ মাস পড়তেই পাকাপাকিভাবে বিদায় নিচ্ছে শীত। উত্তর-পশ্চিমী শুষ্ক হাওয়ার দাপট কমতেই বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকতে শুরু করেছে, যার ফলে অস্বস্তি বাড়ছে জনজীবনে।
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘর ছুঁয়েছে। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় রাতের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের চেয়ে ২-৩ ডিগ্রি উপরে থাকছে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে, আগামী কয়েক দিনে পারদ আরও ২ থেকে ৪ ডিগ্রি চড়তে পারে। বিশেষ করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং বীরভূমের মতো পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে গরমের দাপট বেশি অনুভূত হবে।
হোলির দিনগুলোতে সাধারণত মনোরম আবহাওয়া থাকলেও, এবারের চিত্রটা কিছুটা আলাদা হতে পারে। রোদের তেজ এতটাই বাড়ছে যে দুপুরের দিকে বাইরে বেরোনো দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। উত্তরবঙ্গে অবশ্য হালকা ঠান্ডা বজায় থাকলেও মালদা ও দুই দিনাজপুরে গরমের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। মার্চের এই আগাম উষ্ণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এবারের গ্রীষ্মকাল দীর্ঘস্থায়ী এবং বেশ কষ্টদায়ক হতে চলেছে। তাই দোল খেলার আনন্দে মেতে ওঠার আগে রোদে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।