পয়লা বৈশাখের পুণ্যলগ্নে কলকাতার ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নববর্ষের সন্ধ্যায় ভবানীপুরের এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান থেকে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। একদিকে যেমন দেশভাগ নিয়ে কংগ্রেস ও তৎকালীন রাজনীতির কড়া সমালোচনা করেন, তেমনই হিন্দু সংস্কৃতি ও সনাতনী ঐতিহ্য রক্ষায় ভোটারদের বড় বার্তা দেন শুভেন্দু।
দেশভাগ ও হিন্দুত্বের হুঙ্কার
শুভেন্দু এদিন সরাসরি অভিযোগ তোলেন, তোষণের রাজনীতির কারণেই এককালে দেশভাগ হয়েছিল এবং বর্তমানে বাংলার সংস্কৃতি বিপন্ন। তিনি বলেন, “হিন্দু সংস্কৃতিকে যারা অবজ্ঞা করে, তাদের যোগ্য জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। আমাদের লড়াই সনাতনী মূল্যবোধ রক্ষা করার জন্য।” নববর্ষের আবহে তাঁর এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর শপথ
ভবানীপুর যে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর গড় হিসেবে পরিচিত, সেখানে দাঁড়িয়েই তাঁকে পরাজিত করার অঙ্গীকার করেন শুভেন্দু। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলার হারানো গণতন্ত্র এবং সনাতনী মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে মমতাকে হারানোই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর কথায়, “আগামী ভোটে বাংলার মানুষ দেখিয়ে দেবে ক্ষমতার রাশ কাদের হাতে থাকবে।”
ভোটের প্রাক্কালে শুভেন্দুর এই কড়া অবস্থান এবং হিন্দুত্বের বার্তা ভবানীপুর কেন্দ্র তো বটেই, গোটা রাজ্যের নির্বাচনী লড়াইয়ের পারদকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।





