রাজ্যে ভোটের দামামা বাজতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। নির্বাচন কমিশন নির্ঘণ্ট ঘোষণা করলেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তার আগেই নবান্ন এবং ক্যামাক স্ট্রিটের অন্দরমহলে প্রার্থী নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। সূত্র বলছে, গতবারের পারফরম্যান্স এবং ক্লিন ইমেজ—এই দুই মাপকাঠিতে এবার প্রায় ৭৮টি আসনে নতুন মুখ আনার পরিকল্পনা করেছে জোড়াফুল শিবির। ১৫ বছরের ‘অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি’ কাটাতে একঝাঁক হেভিওয়েট মন্ত্রী ও বিধায়ককেও এবার টিকিট না দেওয়ার পথে হাঁটছে দল।
সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে বয়সসীমা নিয়ে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বয়সসীমা’ তত্ত্ব অনুযায়ী ৭০-৭৫ ঊর্ধ্ব অনেক প্রবীণ নেতাই এবার বাদ পড়তে পারেন। সেই তালিকায় কামারহাটির মদন মিত্র কিংবা উত্তরপাড়ার কাঞ্চন মল্লিকের নাম নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তবে ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মণ বা বারাসতে সব্যসাচী দত্তর মতো নামগুলো প্রায় নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ফিরহাদ হাকিমের মেয়ে বা সাধন-কন্যাদের মতো রাজনৈতিক উত্তরাধিকারীদের জন্য টিকিট পাওয়া এবার বেশ কঠিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা এই তালিকায় স্পষ্ট যে, এবার ‘পারফর্ম’ না করলে রেহাই নেই কারোরই।