বিশ্ব রাজনীতিতে ফের একবার ‘মোদি ম্যাজিক’-এর জয়জয়কার। হোয়াইট হাউসের কুর্সিতে বসার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে চলা অস্থিরতা কমাতে তৎপর হয়েছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এই মিশনে তাঁর সবথেকে বড় ভরসা হয়ে উঠলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সাম্প্রতিক এক দীর্ঘ ফোনালাপে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বলন্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর এবার গাজা এবং লেবাননে ইজরায়েলি অভিযানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যে মানবিক ও ভূ-রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন। ট্রাম্প বরাবরই যুদ্ধের চেয়ে সমঝোতায় বিশ্বাসী। অন্যদিকে, আরবে মোদির ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক এবং ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থানকে কাজে লাগিয়েই এই জট ছাড়াতে চাইছেন ট্রাম্প। কূটনৈতিক মহলের মতে, ট্রাম্প জানেন যে পশ্চিম এশিয়ায় ভারতের প্রভাব বর্তমানে তুঙ্গে। তাই ট্রাম্পের এই ফোন শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং বিশ্বশান্তি ফেরানোর একটি বড় কৌশলগত পদক্ষেপ।
এদিনের আলোচনায় সন্ত্রাসবাদ দমন, বিশ্ব অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়েও কথা হয়েছে। তবে হাইলাইট ছিল মধ্যপ্রাচ্য। ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সাথে মোদির ‘বিশ্ববন্ধু’ ভাবমূর্তি একজোট হলে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের ইতি ঘটা অসম্ভব নয় বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহল। এই ফোনালাপের পর দিল্লি ও ওয়াশিংটনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।