জুন থেকে ভাতা বন্ধ, ধর্মের ভিত্তিতে দেওয়া অনুদানে ‘না’ রাজ্যের, দেখে নিন তালিতায় কোন কোন প্রকল্প

রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর সবচেয়ে বড় এবং ঐতিহাসিক প্রশাসনিক রদবদলের সাক্ষী থাকল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। নবান্নের অলিন্দে এখন সবথেকে বড় চমক আইপিএস দময়ন্তী সেনের (Damayanti Sen) হাইপ্রোফাইল প্রত্যাবর্তন। রাজ্যের নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং অপরাধ দমনে এই দুঁদে নারী পুলিশ আধিকারিককে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বড় দায়িত্ব দিয়ে ফিরিয়ে আনল নতুন সরকার।

সোমবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক বিশেষ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, বিগত দিনে রাজ্যে ঘটে যাওয়া নারী ও শিশুদের ওপর নানাবিধ নির্যাতন এবং অত্যাচারের ঘটনার নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত করতে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর এই কমিটির অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে ফিরিয়ে আনা হয়েছে আইপিএস দময়ন্তী সেনকে।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই নতুন কমিটি শুধুমাত্র ফাইলবন্দি তদন্ত করবে না, বরং এর কাজের পরিধি হবে অত্যন্ত ব্যাপক। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে জনশুনানির মতো করে সরাসরি থানায় থানায় গিয়েও সাধারণ মানুষের অভিযোগ নথিভুক্ত করবে এই বিশেষ কমিটি। ফলে, নির্যাতিতারা যাতে কোনো প্রভাবশালীর ভয়ে পিছিয়ে না যান এবং অনায়াসে পুলিশের কাছে পৌঁছাতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করাই হবে দময়ন্তী সেনের নেতৃত্বাধীন এই কমিটির মূল লক্ষ্য।

প্রশাসনিক মহলের মতে, পার্ক স্ট্রিট কাণ্ড-সহ কলকাতার একাধিক জটিল অপরাধের কিনারা করা আইপিএস দময়ন্তী সেনকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মজবুত করতে এবং বিশেষ করে নারী সুরক্ষায় যে নতুন মুখ্যমন্ত্রী জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলতে চান, এই নিয়োগ তারই সবচেয়ে বড় প্রমাণ। এই মেগা প্রত্যাবর্তনের পর অপরাধীদের মনে যেমন ত্রাস তৈরি হবে, তেমনই সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি আস্থা ফিরবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy