চেক বাউন্স হলে জেল-জরিমানা নিশ্চিত! নতুন আইন ও সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশিকায় বড় বদল

ভারতে ডিজিটাল পেমেন্ট বাড়লেও বড় লেনদেনের ক্ষেত্রে চেক এখনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে চেক বাউন্স বা প্রত্যাখ্যাত হওয়া একটি গুরুতর আইনি অপরাধ। নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারা অনুযায়ী, চেক বাউন্স হলে ইস্যুকারীকে আইনি নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক। নোটিশের ১৫ দিনের মধ্যে টাকা না দিলে অভিযোগকারী আদালতে মামলা করতে পারেন। এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা চেকের দ্বিগুণ পরিমাণ জরিমানা হতে পারে। এছাড়া ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩১৮ ও ৩১৯ ধারা অনুযায়ী, জালিয়াতির ক্ষেত্রে শাস্তির মেয়াদ ৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশনা অনুযায়ী, অভিযোগকারীর ব্যাংকের এখতিয়ারভুক্ত আদালতেই মামলা দায়ের করতে হবে। আদালত বিচার চলাকালীন অভিযুক্তকে চেকের ২০% পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে। এমনকি, ইচ্ছাকৃতভাবে ‘পেমেন্ট বন্ধ’ (Stop Payment) করার নির্দেশ দেওয়াও এখন ফৌজদারি অপরাধ। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে আদালত সমন জারির নিয়ম এবং হলফনামার মাধ্যমে সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করেছে। ডিজিটাল অর্থনীতির যুগে ব্যবসার স্বচ্ছতা ও আস্থা বজায় রাখতে সরকার ও বিচার বিভাগ উভয়ই এখন এই ধরনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy