রাজ্যের বাম রাজনীতিতে এখন সবথেকে বড় চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতীক উর-এর সাম্প্রতিক অবস্থান। দলের অন্দরের গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবার সরাসরি রণংদেহি মেজাজে ধরা দিলেন এই বাম নেতা। ইটিভি ভারতে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ক্ষোভ উগরে দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন— ‘গোপন চিঠি বাইরে এল কীভাবে?’ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা, তবে কি প্রতীক উর রাজনৈতিক সন্ন্যাস নিতে চলেছেন নাকি পা বাড়াচ্ছেন অন্য কোনও শিবিরে?
পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, খোদ বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুকে আসরে নামতে হয়েছে। দলের প্রবীণ জননেতা বিমানবাবু নিজে ফোন করে প্রতীককে আলোচনার জন্য ডাকলেও, সেই আহ্বানে এখনই সাড়া দেননি তিনি। বরং উল্টে দলকে একটি নির্দিষ্ট শর্ত বেঁধে দিয়েছেন। প্রতীকের দাবি, আগে দলগত স্তরে এই চিঠি ফাঁসের ঘটনার জবাবদিহি করতে হবে, তবেই তিনি আলোচনায় বসবেন। আলিমুদ্দিনের অন্দরে যখন নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব মাঝেমধ্যেই মাথাচাড়া দিচ্ছে, তখন প্রতীকের এই ‘বিদ্রোহ’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার, বিমানবাবুর হস্তক্ষেপে জল কতদূর গড়ায় নাকি বাম দূর্গে আরও বড় কোনও ফাটল চওড়া হয়।