গোডাউনে চাল-গমের হিসেবে গরমিল? পর্দাফাঁস করতে বিশেষ অভিযানে নামছে রাজ্য খাদ্য দফতর!

সরকারি খাতা-কলমে যে পরিমাণ শস্য মজুত থাকার কথা, বাস্তবে গুদামগুলোতে কি সেই পরিমাণ চাল বা গম আছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার রাজ্যজুড়ে এক বিশাল অভিযানে নামছে খাদ্য দফতর। সম্প্রতি বিভিন্ন জেলার সরকারি গোডাউন এবং রাইস মিলগুলোতে মজুত শস্যের পরিমাণে ব্যাপক গরমিলের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম গঠন করেছে দফতর।

সূত্রের খবর, রেশন ব্যবস্থায় কোনো ফাঁকফোকর যাতে না থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কাগজে-কলমে মজুত শস্যের হিসেব সঠিক থাকলেও বাস্তবে গুদাম পরিদর্শনের সময় লক্ষ্যণীয় ঘাটতি পাওয়া যাচ্ছে। এই ‘গরমিল’ আসলে কোনো বড় দুর্নীতির অংশ কি না, তা খতিয়ে দেখতেই আকস্মিক পরিদর্শনের (Surprise Inspection) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযানে ডিজিটাল স্টকিং ব্যবস্থার সঙ্গে বর্তমান স্টকের সরাসরি মিলিয়ে দেখা হবে।

খাদ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, যদি কোনো গুদাম বা রাইস মিলে হিসেবে সামান্যতম অমিল পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক বা মালিকের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শস্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে বন্টন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা আনাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। ২০২৬-এর আগে খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং কালোবাজারি রুখতে নবান্নের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy