গুরুগ্রামের হাইপ্রোফাইল ব্যাঙ্ক কর্মী হত্যাকাণ্ডে শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে ধরা পড়লেন খোদ নিহতের স্বামী। পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA) ওই ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে খুনের পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এক রোমহর্ষক ডাকাতির গল্প ফেঁদেছিলেন। কিন্তু তদন্তকারী অফিসারদের তীক্ষ্ণ নজরে শেষরক্ষা হলো না। দীর্ঘ জেরার পর অসংলগ্ন বয়ানের জেরে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত স্বামীকে।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেছিলেন যে একদল ডাকাত ঘরে ঢুকে তাঁর স্ত্রীকে হত্যা করে গয়না ও নগদ টাকা লুট করে পালিয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরেনসিক টিম এবং পুলিশ দেখে যে ঘরের আলমারি ভাঙা হলেও কোনো দামী জিনিস খোয়া যায়নি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজেও কোনো বহিরাগতকে বাড়িতে ঢুকতে দেখা যায়নি। এরপরই সন্দেহের তির ঘোরে স্বামীর দিকে।
জেরায় অভিযুক্ত স্বীকার করেছেন যে, তাঁদের দাম্পত্য কলহ চরমে পৌঁছেছিল। ঝগড়ার এক পর্যায়ে তিনি রাগের মাথায় স্ত্রীর গলা টিপে ধরে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। অপরাধ লুকাতে এরপর তিনি ঘরের জিনিসপত্র লন্ডভন্ড করে দিয়ে ডাকাতির গল্প তৈরি করেন। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উচ্চশিক্ষিত এবং একজন পেশাদার সিএ-র এমন ঠান্ডা মাথার অপরাধ দেখে অবাক তদন্তকারীরাও। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই খুনের পিছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।