অপরাধের নৃশংসতা দেখে শিউরে উঠছে গোটা দেশ, অথচ অভিযুক্তের চোখেমুখে নেই একবিন্দু অনুশোচনা। ২৪ বছরের বান্ধবীকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর তাঁর মৃতদেহের সঙ্গেই যৌন লিপ্ত হওয়ার মতো হাড়হিম করা অভিযোগ উঠল পীযূষ ধামনোটিয়া নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের দ্বারকাপুরী এলাকার এই ঘটনায় স্তম্ভিত পুলিশও। গ্রেফতারির পর সংবাদমাধ্যমের সামনে নিরুত্তাপ কণ্ঠে পীযূষের জবাব, “ওসব ভুলে যাও। যা হওয়ার ছিল হয়ে গেছে। জেনে কী করবে?”
১৩ ফেব্রুয়ারি একটি ভাড়া বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেন প্রতিবেশীরা। পুলিশ দরজা ভেঙে এক যুবতীর নগ্ন, পচা দেহ উদ্ধার করে। তদন্তে জানা যায়, ১০ ফেব্রুয়ারি ওই যুবতীকে নিজের ঘরে নিয়ে এসেছিল পীযূষ। বিয়ের দাবিতে অশান্তি শুরু হলে সে প্রথমে যুবতীর হাত-পা বেঁধে মুখে টেপ লাগিয়ে দেয়, তারপর দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে। এখানেই শেষ নয়, খুনের পর সেই লাশের সঙ্গেই যৌন সঙ্গম করে সে। এরপর মৃতদেহের পাশেই বসে মদ্যপান করে এবং দীর্ঘ সময় সেই ঘরেই কাটায়।
পুলিশি জেরায় জানা গেছে, পীযূষ অত্যন্ত বিকৃত মানসিকতার অধিকারী। বান্ধবীর আপত্তিকর ভিডিও তুলে তাকে ব্ল্যাকমেল করা এবং অন্য কারো সাথে মেলামেশা করলে হিংস্র হয়ে ওঠাই ছিল তার স্বভাব। খুনের পর সে পানভেলে পালিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ডিজিটাল তথ্য ও ফরেনসিক প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে জালে তুলেছে। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও তার ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা রহস্যময় হাসি এখন বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন খাড়া করছে সমাজের নিরাপত্তা নিয়ে।