কারা পাবেন এই কৃষক কার্ড?
এই কার্ড পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন:
চাষি বা কৃষক: ক্ষুদ্র, প্রান্তিক বা বড়—সব ধরণের কৃষকই আবেদন করতে পারেন।
ভাগচাষি ও ইজারা চাষি: যাঁদের নিজস্ব জমি নেই কিন্তু অন্যের জমিতে চাষ করেন, তাঁরাও আবেদনের যোগ্য।
পশুপাল ও মৎস্যজীবী: বর্তমানে পশুপালন (দুগ্ধ খামার, হাঁস-মুরগি পালন) এবং মৎস্যজীবীদেরও এই কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে।
বয়স: আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।
কোথায় এবং কীভাবে পাওয়া যাবে?
১. দুয়ারে সরকার ক্যাম্প: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প থেকে খুব সহজেই কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মাধ্যমে কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করা যায়। ২. নিকটস্থ ব্যাঙ্ক: আপনার যে ব্যাঙ্কে সেভিংস অ্যাকাউন্ট আছে, সেই রাষ্ট্রায়ত্ত বা সমবায় ব্যাঙ্কে গিয়ে ‘KCC Form’ জমা দিয়ে কার্ড পাওয়া যায়। ৩. ব্লক কৃষি অফিস: সংশ্লিষ্ট ব্লকের সহ-কৃষি অধিকর্তার (ADAA) অফিসে গিয়েও আবেদন জানানো সম্ভব। ৪. অনলাইন পোর্টাল: কেন্দ্রীয় সরকারের ‘PM Kisan’ পোর্টালের মাধ্যমেও এই কার্ডের জন্য আবেদন লিঙ্ক পাওয়া যায়।
কবে দেওয়া হবে?
আবেদন প্রক্রিয়া: বর্তমানে বিভিন্ন জেলায় কৃষি দপ্তর এবং ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে বিশেষ শিবির বা ‘KCC Saturation Drive’ চলছে।
বিতরণ: আবেদন জমা দেওয়ার পর ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ নথিপত্র যাচাই করে ১৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে কার্ড ইস্যু করে। আপনার স্থানীয় পঞ্চায়েত বা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে পরবর্তী শিবিরের সঠিক তারিখ জানতে পারবেন।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Documents):
আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড।
জমির পর্চা বা খতিয়ানের কপি।
ব্যাঙ্কের পাসবইয়ের প্রথম পাতার ফটোকপি।
পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
সুবিধা কী? এই কার্ড থাকলে আপনি চাষের কাজের জন্য খুব কম সুদে (মাত্র ৪%) ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাবেন। এছাড়া শস্য বিমার সুবিধাও এর সাথে যুক্ত থাকে।
আপনার এলাকায় কবে ক্যাম্প বসবে তা জানতে আপনার নিকটস্থ পঞ্চায়েত অফিসে আজই যোগাযোগ করুন।





