উত্তরপ্রদেশের কানপুরে এক গৃহবধূর ওপর শ্বশুরবাড়ির অকথ্য নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শিউরে উঠছে মানুষ। নিশান্ত কুমার নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই শুরু হয় মানসিক ও শারীরিক হেনস্তা। নিশান্তের দুটি কিডনিই যে বিকল, তা বিয়ের আগে সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছিল। সত্য সামনে আসতেই ওই মহিলার কাছে দাবি করা হয়— হয় নিজের কিডনি দাও, না হলে বাপের বাড়ি থেকে ৩০ লক্ষ টাকা জোগাড় করো।
ভুক্তভোগী মহিলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালে লখনউয়ের নিশান্তের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। পণ হিসেবে নগদ ৮ লক্ষ টাকা, গয়না এবং একটি মহিন্দ্রা থর গাড়ি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্বামীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন তিনি। স্বামী তাঁর সাথে শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলতেন এবং দিনে অন্তত ১০টি ওষুধ খেতেন। সন্দেহ হওয়ায় লুকিয়ে একটি ফাইল উদ্ধার করেন ওই মহিলা, যা থেকে জানা যায় ২০২২ সাল থেকেই নিশান্তের ডায়ালিসিস চলছে। এছাড়া শ্বশুরবাড়িতে তাঁর ওপর চলত বিকৃত নজরদারি; শ্বশুর অনুমতি ছাড়াই ঘরে ঢুকে ছবি তুলতেন এবং শাশুড়ি স্বামী-স্ত্রীর মাঝখানে শুয়ে থাকতেন। পুলিশ ইতিমিধ্যেই স্বামী নিশান্ত ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও পণের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।





