২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজার আগেই বড়সড় দাবি করে বসলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। একসময়ের দাপুটে শক্তি কংগ্রেস কি ফের বাংলার রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে? শুভঙ্করের দাবি অনুযায়ী, আগামী নির্বাচনে কংগ্রেস কেবল লড়াই করবে না, বরং তারাই ঠিক করবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন। অর্থাৎ, কংগ্রেসই হতে চলেছে আগামীর ‘কিং’ এবং ‘কিং-মেকার’।
প্রার্থী তালিকা নিয়ে বড় আপডেট: রাজ্যে কংগ্রেসের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক গোলাম আহমেদ মীর এদিন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৮৬টি আসনের প্রার্থিতালিকা ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত করে ফেলেছে দল। দিল্লি হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পেলেই এই তালিকা প্রকাশ করা হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এত দ্রুত এবং এত বড় সংখ্যক আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা কংগ্রেসের আগ্রাসী রণকৌশলেরই বহিঃপ্রকাশ।
শুভঙ্করের আত্মবিশ্বাস: বিধান ভবন থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভঙ্কর সরকার বলেন, “মানুষ তৃণমূলের অপশাসন এবং বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতি থেকে মুক্তি চায়। বাংলার মানুষ বিকল্প হিসেবে কংগ্রেসকেই বেছে নেবে। আমরা সরকার গড়ার দৌড়ে থাকব এবং সরকার গঠনে আমাদের ভূমিকাই হবে প্রধান।” কোনো জোটের পথে না গিয়ে একক শক্তিতে লড়াইয়ের ইঙ্গিতও মিলেছে তাঁর কথায়।
রাজনৈতিক সমীকরণ: বিগত কয়েকটি নির্বাচনে কংগ্রেসের ফল আশানুরূপ না হলেও, ২০২৬-এ বামেদের সঙ্গে জোট না কি একলা চলো নীতি—তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তবে ২৮৬ আসনে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার খবর বিরোধীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এখন দেখার, ‘কিং-মেকার’ হওয়ার এই স্বপ্ন বাস্তবের মুখ দেখে কি না।