এসি চালালেই কি ইলেকট্রিক বিল দেখে ঘাম ছুটছে? গরম পড়ার আগেই ম্যাজিকের মতো কাজ করবে এই ৫ টিপস

শীত বিদায় নিয়েছে, এবার কড়া নাড়ছে চৈত্র-বৈশাখ। আর গরম মানেই ঘরে ঘরে এসির গর্জন। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর এসি চালানোর আগে যদি সঠিক প্রস্তুতি না নেন, তবে মাসের শেষে ইলেকট্রিক বিল দেখে আপনার রক্তচাপ বাড়তে বাধ্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নোংরা ফিল্টার এবং অবহেলা করা এসি সাধারণের তুলনায় প্রায় ২০-৩০ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। বিল কমাতে এবং ঘরকে হিমালয়ের মতো ঠান্ডা রাখতে আজই মেনে চলুন এই পাঁচটি নিয়ম।

গরম পড়ার আগে ৫টি আবশ্যিক কাজ: ১. এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার: এসি-র ভেতরে থাকা ফিল্টারে ধুলো জমলে হাওয়া চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়। এতে ঘর ঠান্ডা হতে দেরি হয় এবং বিদ্যুতের খরচ বাড়ে। ফিল্টারটি খুলে নিজেই ঠান্ডা জলে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। ২. আউটডোর ইউনিটের যত্ন: এসির বাইরের অংশ বা কন্ডেন্সার ইউনিটে প্রচুর ধুলো-ময়লা জমে। এটি পরিষ্কার না থাকলে কমপ্রেশার গরম হয়ে যায়। জল দিয়ে বা ব্রাশ দিয়ে আলতো করে বাইরের কাদা-ধুলো পরিষ্কার করে ফেলুন। ৩. থার্মোস্ট্যাট সেটিং: অনেকেই এসি ১৮ ডিগ্রিতে চালান, যা বিল বাড়ানোর প্রধান কারণ। ২৪-২৬ ডিগ্রির মধ্যে এসি চালালে ঘর যেমন আরামদায়ক থাকে, তেমনই বিদ্যুতের বিলও সাশ্রয় হয়। ৪. গ্যাস লিক চেক: এসির পাইপলাইনে কোথাও লিক আছে কি না তা অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দিয়ে পরীক্ষা করান। গ্যাস কম থাকলে ঘর ঠান্ডা হবে না, কিন্তু বিল আসবে আকাশছোঁয়া। ৫. পর্দার ব্যবহার: এসি চালানোর সময় ঘরের জানলায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন। সূর্যের তাপ সরাসরি ঘরে ঢুকলে এসি-র ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। অন্ধকার ও বন্ধ ঘরে এসি দ্রুত কাজ করে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy