দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে ২০২৭ সালের জনগণনা (Census 2027)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই প্রথম দফার রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি পরিবারকে ৩৩টি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। তবে এই জাতীয় প্রক্রিয়ার শুরুতেই তৈরি হয়েছে এক নজিরবিহীন জটিলতা। দেশের অন্যান্য সমস্ত রাজ্যে কাজ শুরু হলেও, পশ্চিমবঙ্গেই একমাত্র থমকে রয়েছে জনগণনার প্রাথমিক প্রক্রিয়া।
সূত্রের খবর, ডিজিটাল পদ্ধতিতে হতে চলা এই জনগণনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পরিকাঠামো এবং কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের অভাবই এই অচলাবস্থার মূল কারণ। কেন্দ্রের পাঠানো নির্দেশিকা এবং প্রশ্নমালার তালিকা রাজ্যে পৌঁছালেও, নবান্নের পক্ষ থেকে এখনও সবুজ সংকেত মেলেনি বলে দাবি করা হচ্ছে। এনআরসি (NRC) এবং এনপিআর (NPR) ভীতিকে কেন্দ্র করে অতীতেও জনগণনা নিয়ে রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে ছিল। এবারও সেই একই ছায়া দেখা যাচ্ছে কি না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই ডিজিটাল জনগণনায় পানীয় জল, শৌচাগার, স্মার্টফোন ব্যবহারের মতো ৩৩টি আর্থ-সামাজিক প্রশ্ন রাখা হয়েছে। সারা দেশ যখন তথ্য সংগ্রহের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন বাংলা কেন পিছিয়ে রইল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোরদার বিতর্ক।





