আমেরিকা ও ইজরায়েলের ইরানে হামলার পর পশ্চিম এশিয়ায় তৈরি হওয়া রণক্ষেত্রের প্রভাব এবার ভারতে পড়ার আশঙ্কা করছে কেন্দ্র। এই পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সমস্ত রাজ্য সরকারকে বিশেষ সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানপন্থী উগ্র বক্তারা ধর্মীয় জমায়েতে উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখে দেশে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। তাই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আগেই রাজ্যগুলিকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরাসরি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। মোদী দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন। সোমবারই প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির (CCS) একটি জরুরি বৈঠক ডাকেন। সেখানে উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসকারী কয়েক লক্ষ ভারতীয়, বিশেষ করে পড়ুয়া ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
CCS-এর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ক্ষতিগ্রস্ত বা আটকে পড়া ভারতীয়দের সাহায্যার্থে যেন সব রকম ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুত যুদ্ধবিরতির পক্ষে সওয়াল করেছে নয়াদিল্লি। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটে ভারতের অর্থনীতি ও জননিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, তার জন্য চব্বিশ ঘণ্টা নজরদারি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।