মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন যুদ্ধের কালো মেঘে ঢাকা। ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে এবার বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্রিটেনের ভূমিকা। আমেরিকা ও ইজরায়েল কি এবার পাশে পেতে চলেছে ব্রিটিশ শক্তিকেও? জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এই বিষয়ে মুখ খুললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্যে যুদ্ধের মোড় ঘোরার ইঙ্গিত স্পষ্ট।
ডাউনিং স্ট্রিটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি রক্ষা এবং মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্রিটেন দায়বদ্ধ। তিনি বলেন, “ইরানের আগ্রাসন কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছি এবং প্রয়োজনে আমাদের নৌবাহিনী ও রয়্যাল এয়ারফোর্স প্রস্তুত রয়েছে।” প্রধানমন্ত্রীর এই ‘প্রস্তুত’ থাকার বার্তাই এখন আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি ইরান সরাসরি ইজরায়েলের ওপর বড় কোনো হামলা চালায়, তবে ব্রিটেন কেবল কূটনৈতিক নিন্দায় সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি সামরিক সাহায্যে নামতে পারে।
ইতোমধ্যেই লোহিত সাগরে ব্রিটিশ রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে। আমেরিকার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ব্রিটেন কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে পা বাড়াচ্ছে? এই আশঙ্কায় কাঁপছে ইউরোপের বাজারও। তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এটাও স্পষ্ট করেছেন যে, তাঁরা সরাসরি যুদ্ধ চান না, কিন্তু ইজরায়েলের আকাশসীমা রক্ষায় এবং ড্রোন হামলা রুখতে তাঁরা সবরকম কারিগরি ও সামরিক সাহায্য চালিয়ে যাবেন। এখন দেখার, তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়।