শহরের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং ক্রমবর্ধমান অপরাধের মোকাবিলায় বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিল লালবাজার। স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত পরিষেবা প্রদান এবং আইনি জটিলতা এড়াতে ফের কলকাতা পুলিশের একাধিক থানার সীমানা পুনর্বিন্যাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো—মানুষের বাড়ির কাছ থেকে পুলিশি সহায়তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশি টহলদারির (Patrolling) কাজকে আরও নিখুঁত করা।
কেন এই পরিবর্তন? লালবাজার সূত্রে খবর, শহরের অনেক এলাকা এমন ছিল যেখানে অপরাধ এক জায়গায় ঘটলেও অভিযোগ জানাতে অনেকটা দূরে অন্য থানায় যেতে হতো। আবার ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে পুলিশের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেও দেরি হতো। এই সমস্যা মেটাতেই নতুন করে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ কলকাতা এবং ইস্টার্ন মেট্রোপলিটান বাইপাস সংলগ্ন থানাগুলিতে এই রদবদল বেশি কার্যকর করা হচ্ছে।
নাগরিকদের জন্য সুবিধা:
-
দ্রুত রেসপন্স টাইম: জরুরি প্রয়োজনে পুলিশ আগের চেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারবে।
-
বিবাদ নিষ্পত্তি: জমির সীমানা বা এলাকা নিয়ে আইনি ধোঁয়াশা কাটবে।
-
সহজ এফআইআর: বাসিন্দাদের অভিযোগ জানাতে অনেক সময় দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হতো, এখন কাছের থানায় গিয়েই তাঁরা সুবিধা পাবেন।
ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট থানাগুলিকে এই নতুন ম্যাপ এবং নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাসিন্দাদের সুবিধার্থে পুলিশ কন্ট্রোল রুম এবং স্থানীয় থানায় নতুন এলাকার তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে।