“আপনাকে এবার এখানেই হারাব”, নন্দীগ্রামের স্মৃতি উসকে খাস কলকাতায় মমতাকে খোলা চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

রঙের উৎসবের সকালেই রাজনীতির রঙে রঙিন কলকাতার ‘হটস্পট’ ভবানীপুর। দোলের সকালে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা গেল একেবারে অন্য মেজাজে। গেরুয়া বসন পরে, কাঁধে গোপালের মূর্তি নিয়ে ভবানীপুরের অলিতে-গলিতে জনসংযোগ সারলেন তিনি। সঙ্গে ছিল বিশাল দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মিছিল। রাধা-মাধবের মন্দিরে পুজো দিয়ে শুভেন্দু এদিন স্পষ্ট করে দিলেন, ভবানীপুরের মাটি তিনি সহজে ছাড়ছেন না।

এবারের নির্বাচনে ভবানীপুর নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে প্রায় ৬০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়া নিয়ে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঠিক একদিন আগেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আত্মবিশ্বাসের সুরে জানিয়েছিলেন, “এক ভোটে হলেও ভবানীপুর থেকে জয় ছিনিয়ে আনব।” আজ শুভেন্দুর এই মিছিল যেন সেই দাবিরই পাল্টা জবাব। মিছিল শেষে শুভেন্দু মূলত হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে মমতাকে পরাজয়ের হুঁশিয়ারি দেন।

পাল্টা আক্রমণ শানাতে ছাড়েনি তৃণমূলও। কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, “ভবানীপুরের দিকে তাকালে ওদের চোখ ঝলসে যাবে।” একদিকে মমতার দুর্জয় আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে শুভেন্দুর ‘নন্দীগ্রাম মডেল’ প্রয়োগের চেষ্টা— সব মিলিয়ে দোল উৎসবের সকালেই ভবানীপুরের রাজনৈতিক পারদ এখন আকাশছোঁয়া। এখন দেখার, ব্যালট বক্সে শেষ হাসি কে হাসেন!

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy