ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় যুক্ত হতে চলেছে এক নতুন ব্রহ্মাস্ত্র। ‘শৌর্য এনজি’ (Next Generation) হলো একটি সারফেস-টু-সারফেস অর্থাৎ ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ট্যাকটিক্যাল ব্যালিস্টিক মিসাইল। তবে একে সাধারণ ব্যালিস্টিক মিসাইল বলা ভুল হবে, কারণ এটি একটি ‘কোয়াসি-ব্যালিস্টিক’ (Quasi-ballistic) গতিপথ অনুসরণ করে। অর্থাৎ, এটি আকাশে ওঠার পর মাঝপথেই নিজের দিক পরিবর্তন করতে সক্ষম, যা একে যেকোনো শত্রু রেডার বা ডিফেন্স সিস্টেমের নজর থেকে আড়ালে রাখে।
শৌর্য এনজি-র খাস তথ্য:
-
অকল্পনীয় গতি: এই মিসাইলটি শব্দের গতির চেয়ে প্রায় ৭.৫ গুণ বেশি বেগে (Mach 7.5) ধেয়ে যেতে পারে। এই প্রবল গতির কারণে শত্রুপক্ষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই এটি আঘাত হানে।
-
পাল্লা বা রেঞ্জ: এটি ৭০০ থেকে ১,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত করতে পারে।
-
গোপন হানা: এটি ক্যানিস্টার-লঞ্চড (Canister-launched) প্রযুক্তিতে তৈরি। ফলে এটিকে খুব সহজেই ট্রাক বা মোবাইল লঞ্চার থেকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে গিয়ে অতর্কিতে লঞ্চ করা সম্ভব।
-
অদৃশ্যতা: এর বিশেষ ট্র্যাজেক্টরির কারণে এটি বায়ুমণ্ডলের ৫০ কিলোমিটার উচ্চতা দিয়ে ওড়ে, ফলে অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম একে মাঝপথে ধরা বা ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব বলে মনে করেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।