তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আনা ‘চ্যাট ফাঁস’ (Chat Leak) অভিযোগে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা সংশোধন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক বা ‘রোল অবজার্ভার’ মুরুগানের কাছে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। বুধবার রাতেই কমিশনের পক্ষ থেকে এই নজিরবিহীন নির্দেশ দেওয়া হয়, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
বিতর্কের মূলে কী? দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করে আসছিল যে, কেন্দ্রীয় সংস্থা বা এসআইআর (SIR)-এর নির্দেশিকাগুলি অফিশিয়াল চ্যানেলের বদলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হচ্ছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি কিছু চ্যাট সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরে দাবি করেন যে, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরেও আনা হয়েছিল।
কমিশনের অবস্থান: নির্বাচন কমিশন সাধারণত এই ধরণের স্পর্শকাতর বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে। সুত্রের খবর, ১৮ ফেব্রুয়ারি রাত ৮:৩০ নাগাদ কমিশনের সদর দপ্তর থেকে মুরুগানকে তাঁর ভূমিকার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। কেন এবং কীভাবে এই ধরণের কথোপকথন সম্ভব হলো, তা খতিয়ে দেখছে কমিশন। তৃণমূলের দাবি, এটি ভোটার তালিকায় কারচুপি করার একটি বড় ষড়যন্ত্র। এখন দেখার, মুরুগানের ব্যাখ্যার পর কমিশন পরবর্তী কী কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে।