পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা এবার চরম রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের রূপ নিল। ২৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোর পর্যন্ত আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত বরাবর একাধিক প্রদেশে ভয়াবহ বিমানহানা (Airstrike) চালিয়েছে পাকিস্তান। পাল্টায় আফগান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গোলারুদে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পাক সেনার একাধিক সীমান্ত চৌকি।
তালিবান দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার পর থেকে এটিই দুই দেশের মধ্যে সবথেকে বড় সংঘর্ষ বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের এয়ারস্ট্রাইকে বহু তালিবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তানের পাল্টা আক্রমণে একাধিক পাক সেনার মৃত্যুর খবর মিলেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আসরে নেমেছে ইরান। বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক্স হ্যান্ডেলে কাবুল ও ইসলামাবাদকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে মাঠের পরিস্থিতি ভিন্ন কথা বলছে। আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই জানিয়েছেন, মাতৃভূমি রক্ষায় তাদের সেনা সাহসের সঙ্গে লড়াই করবে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ সরাসরি যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে লিখেছেন, “অনেক সহ্য করেছি, আর নয়। এবার খুল্লামখুল্লা লড়াই হবে।” তোরখাম সীমান্ত দিয়ে শরণার্থী প্রত্যাবর্তন শুরু হলেও সেখানে ক্রমাগত গুলির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে এবং দুই দেশই সীমান্তে ভারী সাঁজোয়া গাড়ি মোতায়েন করেছে।