রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (DA) নিয়ে দড়ি টানাটানি এবার চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী ৩১শে মার্চ অর্থবর্ষের শেষ দিন। আর এই নির্দিষ্ট ডেডলাইনের মধ্যেই বকেয়া ডিএ অ্যাকাউন্টে ঢুকবে কি না, তা নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র ধোঁয়াশা। নবান্নের অলিন্দে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে নানা গুঞ্জন, কিন্তু সরকারিভাবে এখনও কোনো স্পষ্ট নির্দেশিকা না আসায় ক্ষোভ বাড়ছে কর্মী মহলে।
রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলোর দাবি, কেন্দ্রীয় হার এবং রাজ্য হারের মধ্যে যে বিশাল ফারাক রয়েছে, তা অবিলম্বে মেটাতে হবে। মার্চ মাসের বেতনের সাথে এই বকেয়া টাকা পাওয়ার আশায় বুক বেঁধেছিলেন লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মী। কিন্তু মাসের শেষ সপ্তাহে এসেও কোনো সদর্থক ইঙ্গিত না মেলায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। কর্মচারী নেতাদের সাফ কথা, “৩১শে মার্চের মধ্যে ন্যায্য পাওনা না মিললে এপ্রিল থেকে আমরা আর শান্ত থাকব না।”
ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর কর্মবিরতি এবং আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখা হয়েছে। এপ্রিল মাসের শুরু থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ এবং প্রশাসনিক কাজকর্ম স্তব্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনগুলোর। নবান্ন অবশ্য আর্থিক সংকটের কথা বারবার বললেও, কর্মীরা তা মানতে নারাজ। এখন দেখার, ৩১শে মার্চের ডেডলাইনের মধ্যে সরকার কোনো ‘চমক’ দেয়, নাকি এপ্রিল মাস থেকে ফের আন্দোলনের আগুনে পুড়তে হয় রাজ্য প্রশাসনকে।