দেশের ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় এক ভয়াবহ জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একটি নামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫৯০ কোটি টাকার বিশাল কেলেঙ্কারি ধরা পড়েছে, যা শোনার পর থেকেই সাধারণ গ্রাহকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। আমানতকারীদের মধ্যে এখন একটাই আতঙ্ক—তাঁদের সারা জীবনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় কি আদৌ নিরাপদ? এই জালিয়াতির শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্য়েই মাঠে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ব্যাঙ্কের শীর্ষ স্তরের কিছু আধিকারিক এবং প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের যোগসাজশেই এই বিপুল পরিমাণ অর্থ তছরুপ করা হয়েছে। ভুয়া নথি দেখিয়ে ঋণ নেওয়া থেকে শুরু করে ইন্টারনাল ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে এই টাকা সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাটি জানাজানি হতেই ব্যাঙ্কের শাখার সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন উদ্বিগ্ন গ্রাহকরা। অনেকে টাকা তোলার চেষ্টা করলেও প্রযুক্তিগত সমস্যা বা লেনদেনে বিধিনিষেধের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না বলে খবর। সরকার ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করা হলেও, এই বিশাল অঙ্কের ঘাটতি কীভাবে পূরণ হবে, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে।