৩৫ বছর আলাদা থেকেও কেন ডিভোর্স নিলেন না নানা পাটেকর? নেপথ্যের আসল সত্যিটা জানলে চমকে যাবেন!

সিলভার স্ক্রিনে যাঁর অভিনয় ক্ষমতার জাদুতে বুঁদ থাকত গোটা দেশ, সেই বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকরের ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই এক জটিল রহস্যের চাদরে ঢাকা। প্রচারের আলো থেকে দূরে নিজের মতো থাকতে ভালোবাসলেও, তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও দাম্পত্য জীবন নিয়ে বলিউডের অন্দরে গুঞ্জনের শেষ নেই। দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর ধরে স্ত্রী নীলকান্তি পাটেকরের সঙ্গে আলাদা থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁদের আইনি বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স হয়নি—এই প্রশ্ন আজও তাড়া করে বেড়ায় ভক্তদের।
নানা ও নীলকান্তীর সম্পর্ক এবং দূরত্ব
নানা পাটেকরের স্ত্রী নীলকান্তি পাটেকর নিজেও একজন খ্যাতিমান মারাঠি অভিনেত্রী। অভিনয়ের দুনিয়ায় তাঁর অবদান কম নয়, বিশেষ করে ১৯৮৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মারাঠি ছবি ‘আত্মবিশ্বাস’-এর জন্য তিনি মহারাষ্ট্র সরকারের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারও অর্জন করেছিলেন। পেশাগতভাবে সফল হলেও দাম্পত্য জীবনের শুরু থেকেই নানা ও নীলকান্তী নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনকে গণমাধ্যমের কৌতূহলী দৃষ্টি থেকে বহু দূরে রাখতে পছন্দ করতেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হলেও তাঁরা আইনগতভাবে একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হননি।
মণীষা কৈরালা সংযোগ ও চর্চা
নব্বইয়ের দশকে বলিউডে নানা পাটেকর ও অভিনেত্রী মণীষা কৈরালার সম্পর্ক নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছিল। ‘অগ্নিসাক্ষী’ ছবির পর থেকেই তাঁদের অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি রূপোলি পর্দা ছাড়িয়ে বাস্তব জীবনেও প্রভাব ফেলে বলে গুঞ্জন ছড়ায়। সেই সময় নানা ও নীলকান্তীর দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটল ধরার নেপথ্যে মণীষা কৈরালার নাম জোরালোভাবে উঠে আসে। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নানা ও মণীষার সেই সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি, তবে আজও নানা পাটেকরের ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে মণীষা কৈরালার অধ্যায়টি বেশ চর্চিত।
দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আলাদা ছাদের নিচে বসবাস করা সত্ত্বেও নানা পাটেকর এবং নীলকান্তী নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্ককে আইনি সিলমোহর দিয়ে শেষ করেননি। তারকাদের এই অদ্ভুত সমীকরণ এবং নেপথ্যের নানা সমীকরণ আজও বলিউডপ্রেমীদের কাছে এক অমীমাংসিত কৌতূহল।