২৫% ডিএ-তে মন গলছে না! বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে এপ্রিলের জোড়া শুনানিতেই কি হবে ভাগ্যবদল?

রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক মুখে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (DA) নিয়ে রাজ্য সরকারের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। একদিকে নবান্ন ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মেটানোর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, অন্যদিকে এই সিদ্ধান্তকে ‘অসম্পূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সরকারি কর্মীরা। এপ্রিল মাসেই এই জোড়া মামলার হেভিওয়েট শুনানি হতে চলেছে, যা ভোটের ময়দানে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল বকেয়া মেটানোর, কিন্তু সেই নির্দেশ সময়মতো কার্যকর না হওয়ায় ‘ইউনিটি ফোরাম’-এর তরফে আদালত অবমাননার মামলা করা হয়েছে। আগামী ১৫ এপ্রিল শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি হতে পারে। অন্যদিকে, কলকাতা হাইকোর্টে ৬ এপ্রিল আরও একটি মামলার শুনানি রয়েছে। কর্মীদের মূল দাবি, ২০০৯ সালের রোপা অনুযায়ী ডিএ তাঁদের আইনি অধিকার এবং ২০১৯ সাল পর্যন্ত সমস্ত বকেয়া নগদ অর্থে মেটাতে হবে। এছাড়া বাড়ি ভাড়া (HRA) এবং গ্র্যাচুইটির ঊর্ধ্বসীমা ২০ লক্ষ টাকা করার দাবিও তোলা হয়েছে।
রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ৩১ মার্চের মধ্যেই বকেয়া ডিএ-র প্রথম কিস্তি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। কিন্তু তাতেও বরফ গলেনি। বঙ্গভবন বা ভিনরাজ্যে কর্মরত রাজ্য কর্মীদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কর্মীদের ডিএ-র প্রায় ৪০ শতাংশ ফারাক নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে। ইউনিটি ফোরাম স্পষ্ট জানিয়েছে, ন্যায্য পাওনা আদায় না হওয়া পর্যন্ত আইনি লড়াই চলবে। এখন দেখার, এপ্রিলের এই আইনি লড়াই ভোটের বাক্সে কতটা প্রভাব ফেলে।