২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হরিদেবপুর শুটআউট-কাণ্ডের কিনারা! গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত বাবলু ঘোষ ও শ্যুটার বাপ্পা দাস

দক্ষিণ কলকাতার হরিদেবপুরে ৫০ বছর বয়সী মৌসুমী হালদারকে গুলি করার ঘটনার (শুটআউট-কাণ্ড) ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্যের কিনারা করে ফেলল কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাবলু ঘোষ এবং শ্যুটার বাপ্পা দাস-কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তদন্তে উঠে আসা মূল তথ্য
টাকার বিনিময়ে পরিকল্পনা: পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, টাকার বিনিময়ে বাবলু ঘোষই বাপ্পা দাসকে দিয়ে গুলি চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন।

উদ্দেশ্য: পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই এই হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ধৃত বাবলু ঘোষকে জেরা করে পুলিশ এই বিষয়টি স্পষ্ট করতে চাইছে।

আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার: এই ঘটনায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি কবরডাঙার খালপাড় থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার প্রক্রিয়া: ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ প্রথমে বাবলু ঘোষকে আটক করে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই শুটার বাপ্পা দাসের হদিশ মেলে এবং পরে দু’জনকেই গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ:
লালবাজার সূত্রে খবর, ধৃতদের প্রাথমিকভাবে জেরা করে কিছু তথ্য মিলেছে, যা থেকে অনুমান করা হচ্ছে, এই হামলার নেপথ্যে বড় কোনও চক্র সক্রিয় থাকতে পারে।

আদালতে পেশ: তদন্তকারীরা মঙ্গলবার ধৃত দু’জনকেই আলিপুর পুলিশ আদালতে তুলে নিজেদের হেফজতে নেওয়ার দাবি জানাবেন।

জিজ্ঞাসাবাদের লক্ষ্য: বাবলু কোথা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র পেলেন, কে তাঁকে সরবরাহ করল, কত টাকায় শুটার ভাড়া করা হয়েছিল—এইসব তথ্য জানার জন্য পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ঘটনার বিবরণ:
সোমবার সকালে হরিদেবপুরের কালিপদ মুখার্জী রোডে ৫০ বছর বয়সী মৌসুমী হালদারকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুলি তাঁর পিঠে লাগে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে প্রথমে এমআর বাঙুর হাসপাতালে এবং পরে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়, যেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। ঘটনার সময় দুই যুবক বাইকে চেপে এসে মৌসুমীর সঙ্গে বচসা করে এবং একজন বন্দুক বের করে গুলি চালায়।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy