প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দু’দিনের সফরে (৪-৫ ডিসেম্বর) ভারতে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই সফরে তিনি ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে এবং রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের উপর আমেরিকার ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পরিপ্রেক্ষিতে এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
🛡️ আলোচনার মূল বিষয়বস্তু:
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে পুতিনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রতিরক্ষা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।
-
প্রতিরক্ষা চুক্তি: ভারত রাশিয়ার থেকে ফের S-400 ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
-
অর্থনীতি: বাণিজ্য, শক্তি এবং দুই দেশের আর্থিক আদানপ্রদানের জন্য মুদ্রা বিষয়ক পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হবে।
-
কূটনৈতিক বার্তা: বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এই সফরকে ভারত-রাশিয়ার মধ্যে “বিশেষ এবং সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্ব” (Special and Privileged Strategic Partnership) জোরদার করার পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
🗣️ ভারত সফরের আগে পুতিনের বার্তা:
ভারতে আসার আগের দিন মস্কোতে এক বাণিজ্য ফোরামে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট পুতিন আন্তর্জাতিক মহলকে কার্যত বার্তা দেন। তিনি জানান, মস্কোর লক্ষ্য হল ভারত ও চিনের সঙ্গে সহযোগিতাকে একটি “গুণগতভাবে নতুন স্তরে” উন্নীত করা।
পুতিন বলেন, “আমরা চিন এবং ভারতের সঙ্গে সহযোগিতাকে এর প্রযুক্তিগত উপাদানকে শক্তিশালী করে একটি গুণগতভাবে নতুন স্তরে উন্নীত করার লক্ষ্যে রয়েছি। শক্তি, শিল্প, মহাকাশ, কৃষি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে অসংখ্য যৌথ প্রকল্পের লক্ষ্যেই এই চিন্তা।”
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট পুতিনের সম্পর্ক অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রুশ প্রেসিডেন্টকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।