রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের মেগা লড়াই শেষ। আগামী সোমবার ভাগ্যপরীক্ষা। তবে ফলপ্রকাশের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে তৃণমূলের কাউন্টিং এজেন্টদের রণকৌশল বুঝিয়ে দিলেন দলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কালীঘাটে আয়োজিত ভার্চুয়াল বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই এজেন্টদের কড়া নির্দেশ দিলেন তিনি। সাফ জানালেন, জয়ের সার্টিফিকেট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কাউন্টিং হল ছাড়া চলবে না।
EVM নিয়ে ‘মাস্টারক্লাস’ অভিষেকের এদিন ইভিএম নিয়ে অত্যন্ত টেকনিক্যাল এবং গুরুত্বপূর্ণ এক সতর্কতা দিয়েছেন অভিষেক। কাউন্টিং এজেন্টদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ইভিএম খোলার সময় ব্যাটারির চার্জের দিকে কড়া নজর রাখতে হবে। যদি দেখেন কোনও মেশিনে চার্জ ৭০ শতাংশ বা তার বেশি রয়েছে, তবে বুঝতে হবে সেই মেশিন নতুন বা সেটি বদল করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে তৎক্ষণাৎ ভিভিপ্যাট (VVPAT) গণনার দাবি তুলতে হবে।” এজেন্টদের একেবারে সামনের সারিতে বসার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি, যাতে সিল খোলার সময় তারিখ ও সময় স্পষ্ট দেখা যায়।
আসনের লক্ষ্যমাত্রা ২১৫ পার! তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ২০০-র বেশি আসনে জয়ের দাবি করছেন, তখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক ধাপ এগিয়ে তৃণমূলের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুর চড়ালেন। তাঁর দাবি, তৃণমূল এবার ২১৫-র বেশি আসনে জিতে ক্ষমতায় ফিরছে। তাঁর বার্তা, “বিজেপির ধমকানি-চমকানি ৪ঠা মে পর্যন্তই। ফলপ্রকাশের পর সব ঠান্ডা হয়ে যাবে।” বুথফেরত সমীক্ষাকে (Exit Poll) স্রেফ শেয়ার বাজার চাঙ্গা রাখার কৌশল বলে উড়িয়ে দেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
এজেন্টদের জন্য কড়া গাইডলাইন:
পোস্টাল ব্যালটে নজর: প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পোস্টাল ব্যালট গণনায় চোখ রাখতে হবে।
রি-কাউন্টিংয়ের দাবি: ব্যবধান খুব কম হলে (২০০-৩০০ ভোট) সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় গণনার আবেদন করতে হবে।
নিরাপত্তায় সতর্কতা: বাইরের কারও দেওয়া খাবার খাওয়া চলবে না, বাড়ি থেকেই হালকা টিফিন নিয়ে যেতে হবে।





