২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন রাজ্যের শাসক-বিরোধী শিবির কোমর বাঁধছে, ঠিক তখনই দীপাবলির সকালে রাজ্যের ভবিষ্যৎ মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিয়ে এক ‘বিস্ফোরক’ দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তাঁর এই ভবিষ্যদ্বাণী রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল জল্পনা সৃষ্টি করেছে।
কুণাল ঘোষের ‘বিস্ফোরক’ ঘোষণা:
সোমবার সকালে এক্স (পূর্বতন টুইটার) প্ল্যাটফর্মে করা এক পোস্টে কুণাল ঘোষ দাবি করেন, “জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের রেকর্ড ভেঙে দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০৩৬ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী তিনিই। ওই সময়টার আগেপরে থেকে তাঁর আশীর্বাদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্ব শুরু।”
এই ‘নাগরিক হিসেবে’ ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি কুণাল আরও উল্লেখ করেন, যদি ২০২৯-এর মধ্যে “মমতাদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে আলাদা কথা।”
বিরোধীদের প্রতি তীব্র আক্রমণ:
কুণাল ঘোষের এই পোস্টে শুধু ভবিষ্যদ্বাণীই নয়, ছিল বিজেপি সহ বাম-কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ।
তিনি বিজেপিকে “জনভিত্তিহীন নাটকবাজ” বলে ইঙ্গিত করেন।
বাম-কংগ্রেসকে তিনি “ঈর্ষাকাতর, অবসাদগ্রস্ত, হতাশ কুৎসাকারী” বলে উল্লেখ করেন।
কুণাল ঘোষের দাবি, বিরোধীরা শাসকদলের বিরুদ্ধে যতই অভিযোগ আনুক না কেন, তা কেবল সমাজমাধ্যমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তিনি ব্যঙ্গ করে লেখেন, “বিরোধীরা মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়াতেই থাকুন। তৃণমূল নবান্নে সুন্দর, বিরোধীরা ফেসবুকে।”
শাসক দলের অন্যতম মুখপাত্রের এই দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক ভবিষ্যদ্বাণী এবং বিরোধীদের প্রতি ছুঁড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জ আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজ্য রাজনীতির উত্তাপ আরও বাড়াল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।