২০২৭ সালের আসন্ন জনগণনা বা সেন্সাসকে কেন্দ্র করে এক বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রস্তুতি শুরু করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দেশের বিভিন্ন প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে এবার স্থাপন করা হচ্ছে বিশেষ ‘জনগণনা ওয়ার্কস্টেশন’। এই কেন্দ্রগুলিতে মূলত বিগত বছরের আদমশুমারির সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা ডেটা নিয়ে নিবিড় গবেষণা করার সুযোগ পাবেন গবেষকরা। এর ফলে দেশের জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তনের ধারা বুঝতে সুবিধা হবে বলে মনে করছে কেন্দ্র।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের ফলে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, আইআইটি এবং জেএনইউ-এর মতো বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণার এক নতুন দিগন্ত খুলে গেল। এই ওয়ার্কস্টেশনগুলিতে সেন্সাস কমিশনারের কার্যালয় থেকে অনুমোদিত ডেটা সেট সরবরাহ করা হবে। গবেষকরা বিশ্লেষণ করতে পারবেন দেশের কোন অঞ্চলে শিক্ষার হার কত বেড়েছে, কোন জেলায় কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে কিংবা কোথায় বাসস্থানের সমস্যা প্রকট। ২০২৭ সালের জনগণনা প্রক্রিয়াকে আরও বিজ্ঞানসম্মত এবং নিখুঁত করে তুলতেই দেশের শিক্ষিত যুবসমাজের মেধাকে কাজে লাগাতে চাইছে সরকার।
রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, এই তথ্যের ব্যবহার কেবল গবেষণাপত্র তৈরির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের রূপরেখা তৈরিতেও এই ডেটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের উন্নয়নের সঠিক মানচিত্র তৈরির ক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণ ভিত্তিক এই গবেষণা এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে চলেছে।