২০২৬ সালের মার্চ মাসে অমাবস্যা তিথি দু’দিন ব্যাপী হওয়ায় সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। পঞ্জিকা ও জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, তিথির হেরফেরে শ্রাদ্ধ এবং স্নান-দানের জন্য আলাদা দিন ধার্য করা হয়েছে। পিতৃপুরুষের আত্মা ও পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধির জন্য এই অমাবস্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তর্পণ ও শ্রাদ্ধ অমাবস্যা: ১৮ মার্চ, বুধবার হলো শ্রাদ্ধ অমাবস্যা। এদিন সকাল ১১:৩০ থেকে ১২:৩০-এর মধ্যে ‘কুতপ কালে’ পিতৃ তর্পণ করা শাস্ত্রসম্মত। এই সময়ে তর্পণ করলে পিতৃপুরুষরা তৃপ্ত হন বলে বিশ্বাস করা হয়।
স্নান-দান অমাবস্যা: ১৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সময় অমাবস্যা তিথি থাকায় এই দিনটিকে স্নান-দান অমাবস্যা হিসেবে গণ্য করা হবে। এদিন পবিত্র নদীতে স্নান ও সাধ্যমতো দান করলে অক্ষয় পুণ্য লাভ হয়।
চৈত্র নবরাত্রি ও হিন্দু নববর্ষ: ১৯ মার্চ অমাবস্যা তিথি শেষ হওয়ার পরপরই চৈত্র শুক্ল প্রতিপদ তিথি শুরু হবে। ফলে এই বিশেষ সংযোগেই শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের চৈত্র নবরাত্রি এবং হিন্দু নববর্ষ। অমাবস্যার অধিপতি যেহেতু পিতৃদেব, তাই এই সময়ে করা দান ও তর্পণ পরিবারে শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনে।