পরিবারের সঙ্গে পাহাড় ভ্রমণে গিয়ে আর ফেরা হলো না ১৪ বছরের শ্রী নন্দার। কর্নাটকের চন্দ্রদ্রোণা পাহাড়ের ১৫০০ ফুট গভীর খাদ থেকে উদ্ধার হলো কেরলের পালাক্কাড় জেলার এই দশম শ্রেণির ছাত্রীর মৃতদেহ। গত ৭ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিল সে। টানা চার দিনের রুদ্ধশ্বাস তল্লাশি অভিযানের পর এই মর্মান্তিক পরিণতির কথা জানালো পুলিশ।
প্রায় ৪০ জন আত্মীয়ের সঙ্গে কর্নাটকে বেড়াতে গিয়েছিল শ্রী নন্দা। হাম্পি দর্শনের পর ৭ এপ্রিল বিকেলে চিকমাগালুরুর একটি পাহাড় চূড়ায় ট্রেকিং শুরু করে দলটি। সন্ধে ৬টা নাগাদ মানিক্যধারা এলাকার কাছে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায় কিশোরী। একটি ভিডিওতে তাকে এক আত্মীয়ের সাথে হাঁটতে দেখা গেলেও অন্ধকারের মধ্যেই সে কোথায় হারিয়ে যায়, তা কেউ টের পায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাথমিক ভাবে অপহরণের সন্দেহ করা হলেও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পা পিছলে পড়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না প্রশাসন।
উদ্ধারকাজে নামানো হয়েছিল ড্রোন এবং থার্মাল ক্যামেরা। উদ্ধারকর্মীরা দড়ির সাহায্যে গভীর খাদে নেমে দীর্ঘ তল্লাশি চালান। কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি. পরমেশ্বর জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। এটি নিছকই দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। একটি আনন্দ সফর এভাবে বিষাদে পরিণত হওয়ায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের কালো ছায়া।





