হাসিনা পরবর্তী জমানায় বড় ধামাকা! তারেক রহমানের শপথে ঢাকা যেতে পারেন মোদী, দুই দেশের সম্পর্কে কি এবার ‘মেগা রিসেট’?

বাংলাদেশের নির্বাচনী ফলাফলের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হলো বড় জল্পনা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন বিএনপি (BNP) নেতা তারেক রহমান। আর সেই ঐতিহাসিক ক্ষণে উপস্থিত থাকার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাতে চলেছে নতুন সরকার।

কূটনৈতিক স্তরে বরফ গলছে? শুক্রবারই তারেক রহমানকে ফোন করে ‘ঐতিহাসিক’ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সমাজমাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করেছেন— ভারত একটি গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের পাশে সর্বদা থাকবে। এরপরই বিএনপির বিদেশনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করা তারেক রহমানের অগ্রাধিকার। সেই লক্ষেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

কেন এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ?

  • হাসিনা ফ্যাক্টর: শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে যে শীতলতা তৈরি হয়েছিল, মোদীর এই সম্ভাব্য সফর তা দূর করতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • আঞ্চলিক ভারসাম্য: বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের নিরাপত্তা ও বাণিজ্য বিষয়ক চুক্তিগুলো কোন দিকে মোড় নেয়, তা সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে।

  • বিমসটেক ও সার্ক: দক্ষিণ এশিয় দেশগুলোর জোটকে শক্তিশালী করতে তারেক রহমান মোদীর সহযোগিতা চাইছেন, যা এই আমন্ত্রণের অন্যতম বড় কারণ।

কবে হবে শপথ গ্রহণ? সূত্রের খবর, ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যেই ঢাকার বঙ্গভবনে বা অন্য কোনো বড় ভেন্যুতে এই শপথ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে। বিএনপি নেতৃত্ব চাইছে এই আয়োজনকে একটি বড়সড় কূটনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করতে। মোদী ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর অন্য প্রতিনিধিদেরও দেখা যেতে পারে।

এডিটরের নোট: তারেক রহমানের এই ‘গুডউইল জেসচার’ বা শুভেচ্ছার ডাক মোদী গ্রহণ করলে তা হবে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতাকে ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিরাট স্বীকৃতি।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy