এলাকায় অসামাজিক কাজ দমনে এবার রণংদেহি মেজাজে ধরা দিলেন জনপ্রতিনিধি। পুলিশের ভরসায় না থেকে নিজেই হাতে লোহার রড ও হাতুড়ি তুলে নিলেন জলপাইগুড়ির ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মণীন্দ্রনাথ বর্মন। বুধবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলেন মাদকাসক্তদের আড্ডাস্থল হিসেবে পরিচিত একটি অবৈধ ক্লাবঘর।
অভিযোগ, জলপাইগুড়ি শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে রেলের জায়গায় গড়ে ওঠা একটি পরিত্যক্ত ঘরে দীর্ঘদিন ধরে রমরমিয়ে চলছিল মাদক সেবন। নেশার ঘোরে ওই যুবকেরা স্থানীয় মহিলাদের কুরুচিকর মন্তব্য ও কটূক্তি করত বলে অভিযোগ। এমনকি স্কুলপড়ুয়া ছাত্রীদেরও উত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে। বারবার পুলিশে জানিয়েও লাভ না হওয়ায় এদিন ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় এলাকাবাসীর। বুধবার সকালে এক তরুণীকে উত্যক্ত করার ঘটনা সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা।
কাউন্সিলর মণীন্দ্রনাথ বর্মন খবর পেয়েই এলাকায় পৌঁছান। তিনি নিজেই লোহার রড দিয়ে ওই বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে শুরু করেন। তাঁর কথায়, “মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এলাকার মহিলা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সবার আগে। রেলের এই অকেজো বিল্ডিংটি পুরোপুরি ভেঙে ফেলার জন্য আমি রেল কর্তৃপক্ষকেও লিখিতভাবে জানাব।” কাউন্সিলরের এই ভূমিকায় খুশি এলাকার মহিলারা। যদিও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চাও। বিজেপির দাবি, পুলিশের ওপর নিজের দলের কাউন্সিলরেরই আস্থা নেই, তাই তাঁকে আইন হাতে তুলে নিতে হচ্ছে।





