গভীর রাতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের সাক্ষী থাকল হাওড়ার মৌড়িগ্রাম এলাকা। যখন গোটা এলাকা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই একটি দোকানে আগুন লাগে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা সংলগ্ন আরও বেশ কিছু দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখা এতটাই তীব্র ছিল যে, দমকল আসার আগেই ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে পর পর কয়েকটি দোকান। এই ঘটনায় ব্যবসায়ীদের কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গভীর রাতে মৌড়িগ্রাম স্টেশনের নিকটবর্তী একটি দোকান থেকে প্রথম ধোঁয়া বেরোতে দেখেন সিভিক ভলান্টিয়ার ও কিছু স্থানীয় বাসিন্দা। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ‘দাউদাউ’ করে জ্বলতে শুরু করে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, অল্প সময়ের মধ্যেই আশপাশের বাকি দোকানগুলো আগুনের গ্রাসে চলে যায়। আগুনের তাপে ফেটে যায় দোকানের অ্যাসবেস্টস ও চাল। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। প্রায় কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও, ততক্ষণে সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে দমকলের অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। তবে সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনের গতি এত বেশি ছিল যে তারা দোকান থেকে কোনো মালপত্র বের করার সুযোগ পাননি। চোখের সামনে নিজেদের রুজি-রুটি ছাই হতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁরা। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও দমকল বাহিনী বর্তমানে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।